রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে যান।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, ওই সময় পর্যন্ত মরদেহটি ঘটনাস্থলেই ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা ও প্রয়োজনীয় আলামত পরীক্ষা করতে সিআইডির ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার ফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনার বিষয়টিও সামনে এসেছে। গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
জামায়াতের পক্ষ থেকে তখন তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
তবে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত তথ্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।